মাইক্রোফোন কিভাবে সহজ কাজ করে? শুনে অবাক হবেন
মাইক্রোফোন কিভাবে সহজ কাজ করে? এই বিষয়ে যদি জানতে চান, তাহলে আমি বলবো আপনি সঠিক জায়গাই এসেছেন। এখানে আপনি বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন যে এই মাইক্রোফোনের ভিতরে সুন্দর প্রযুক্তি এবং এই মাইক্রোফোনের ভিতরে কাজ আসলে হয় কিভাবে সেটাও জানতে পারবেন।
শব্দ মাইক্রোফোন হয়ে যেভাবে বিভিন্ন ডিভাইস এর পার্টস এর মধ্য দিয়ে শোনার জন্য তৈরি হয় সেটা আমরা এখানে জানবো। এখানে একবারে শুরু থেকে জানতে পারবেন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক।
পেজ সূচিপত্র: মাইক্রোফোন কিভাবে সহজ কাজ করে তার ক্রমধারা
- মাইক্রোফোন কিভাবে সহজ কাজ করে ও কেনো ব্যবহার করা হয়
- মাইক্রোফোনের মূল কাজের নীতি
- শব্দ থেকে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া
- ডায়নামিক বনাম কনডেনসার মাইক্রোফোন পার্থক্য
- মাইক্রোফোনের ভিতরের অংশ এবং তাদের কাজ
- মাইক্রোফোন শব্দ রেকর্ড করার প্রক্রিয়া
- অডিও ইন্টারফেস ও মিক্সারের সাথে মাইক্রোফোনের সংযোগ
- সাধারণ মাইক্রোফোনের সমস্যা সমাধান
- ভবিষ্যতে মাইক্রোফোন প্রযুক্তি ও উন্নয়ন
- শেষ মন্তব্য
মাইক্রোফোন কিভাবে সহজ কাজ করে ও কেনো ব্যবহার করা হয়
মাইক্রোফোন কিভাবে সহজ কাজ করে সেটা জানার আগে জানতে হবে যে মাইক্রোফোনের ভিতরে যে কাজ হয় সেটা আসলে কিভাবে হয়। আমি আমার ব্যক্তিগত মতামত থেকে বলবো যে মাইক্রোফোন শব্দ তরঙ্গকে বৈদ্যুতিক তরঙ্গে রুপান্তর করে সেটা সংকেতে পরিবর্তন হয়। শব্দের যে একটা কম্পন থাকে সেটা মাইক্রোফোনের একটা ডায়াফ্রেমকে আঘাত করে, আর এই কম্পনই ইলেকট্রিক সিগনালে পরিনত হয়। এইভাবে একটা মাইক্রোফোনে শব্দ তৈরি হয়। এখন বর্তমানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই মাইক্রোফোন ব্যবহার করা হয়। যেমন- রেডিও, টেলিভিশন ও ভিডিও রেকর্ডিং এর ক্ষেত্রে এই মাইক্রোফোন ব্যবহার করা হয়।
এখন বিশেষ করে অনলাইনে বিভিন্ন সেক্টরে ভিডিও কলে এই মাইক্রোফোন ব্যবহার হয়। এখনকার যুগে ছোট বড় সবাই এই মাইক্রোফোন ব্যবহার করে থাকে, তাদের নিজের কাজের ক্ষেত্রে হোক বা বিনোদনের ক্ষেত্রেও হোক না কেন। তবে মাইক্রোফোনের মধ্যে ৩ ধরনের মাইক্রোফোন বেশি ব্যবহার হয়। সেগুলো হল ডাইনামিক, কনডেনসার ও ল্যাভালিয়ার মাইক্রোফোন। এই মাইক্রোফোন আসলে শব্দটা অনেক ক্লিয়ার করেছে। যখন কেউ কলে কথা বলে তখন শব্দ ক্লিয়ার হয় না। এই মাইক্রোফোন দিয়ে এই শব্দকে ক্লিয়ার করা যায়। সেজন্য এইটা একটা লাইফস্টাইলের অংশ হয়ে গেছে আমাদের জীবনে।
মাইক্রোফোনের মূল কাজের নীতি
মাইক্রোফোন কিভাবে সহজ কাজ করে এটা জানার আগে জানতে হবে সেটার মূলনীতি। মাইক্রোফোন আমরা আমাদের জীবনে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করি। আমাদের এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজে এই মাইক্রোফোন অনেক বড় ভূমিকা রাখে। আমাদের এইটা ব্যবহার করার সাথে সাথে এই ডিভাইস সম্পর্কে জানা উচিৎ। এই ডিভাইস কিভাবে কাজ করে এবং এর মূল কাজটা কি। আমি যত টুকু জানি সেটাই আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আসলে এই ডিভাইস বাতাসে চলা তরঙ্গ সংগ্রহ করে থাকে। এই তরঙ্গটা মাইক্রোফোনের ডায়াফ্রেমে ভিতরে থাকা একটা পাতলা পর্দায় যেয়ে তখন বারি মারে।
সেটার ফলে একটা কম্পন তৈরি হয়, এই কম্পনটাই পরে যেয়ে পরিবর্তিত হয়ে ইলেকট্রিক সিগন্যালে রুপান্তর হয়। এবার এইটার মূল কাজটা বলি সেটা হল, তৈরি হওয়া ইলেকট্রিক সিগন্যাল তখন পাঠানো হয় অ্যামপ্লিফায়ারে। যেটা সিগন্যাল পাওয়ার জন্য বিশেষভাবে ব্যবহার করা হয়। তারপরে এই পাওয়া সংকেতটাকে ভালো করে ফিল্টার করা হয়, জেন শব্দটা পরিস্কার আসে। কারণ মূল শব্দের সাথে অনেক আশেপাশের শব্দও থাকে। এই শব্দকে পরে ফিল্টার করে মূল শব্দকে বেশি গ্রহণযোগ্যতা হিসেবে তৈরি করা হয়। শেষে যেয়ে এইটা স্পিকারে সেই সিগন্যালকে আবার শব্দে পরিনত করে।
শব্দ থেকে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া
এবার এখানে আমরা কিছু নতুন জিনিস বা ডিভাইস এর সাথে পরিচিত হবো। যেগুলো এই শব্দকে পরিস্কার করতে অনেক ভূমিকা রাখে। আসলে এই প্রক্রিয়া হওয়ার বিষয়ে জানা অনেক জরুরি। দেখা যাচ্ছে কোন জায়গা বা কোন মানুষ গান করে বা কোন বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে শব্দ তরঙ্গ তৈরি করছে। এই শব্দ তরঙ্গ বাতাসের বেগের কারণে মাইক্রোফোনের দিকে চলে আসে। তারপরে এই তরঙ্গ যেয়ে মাইক্রোফোনের ডায়াফ্রেমে একটা পাতলা পর্দা থাকে সেটাতে যেয়ে অস্বাভাবিক কম্পন সৃষ্টি করে।
অর্থাৎ ডায়াফ্রেমে যেয়ে কয়েলে একটা নড়াচড়া কিংবা ক্যাপাসিটরে এক ধরনের বিদ্যুতের পরিবর্তন তৈরি করে। এইটা আসলে কোন পরিবর্তন করে শব্দকে। বরং শব্দটাকে আগের চেয়ে আরও বেশি পরিস্কার ও শোনার উপযোগী করে। দিয়ে এইটা আরেকটা ইলেকট্রিক সিগন্যালে রুপান্তর হয়, যা তারের মাধ্যমে রেকর্ডারে সিগন্যাল পাঠাই। এই সিগন্যাল শেষে যেয়ে শক্তিশালী করে তোলে সেই সাথে পরিস্কার করে শোনার উপযোগী করে। এইভাবে করে শব্দ থেকে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল তৈরি হয়। যা হইত আমরা অনেকে জানি না।
ডায়নামিক বনাম কনডেনসার মাইক্রোফোন পার্থক্য
ডায়নামিক মাইক্রোফোন এবং কনডেনসার মাইক্রোফোনের পার্থক্য জানতে চাইলে আগে আমাদের জানতে হবে এই দুই মাইক্রোফোনের মধ্যে তফাৎ টা কোথায়। আসলে ডায়নামিক মাইক্রোফোন হল আমরা যখন কোন কথা বলি বা গান করি তখন সে শব্দ এই মাইক্রোফোনের ভিতরে থাকা কয়েল এবং চুম্বকের মাধ্যমে একটা কম্পন তৈরি করে দিয়ে সেটা ইলেকট্রিক সিগন্যালে পরিবর্তন হয়। আর কনডেনসার মাইক্রোফোন ও একই ভাবে কাজ করে। অর্থাৎ শব্দকে কম্পনের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে পরিবর্তন করে, তবে এইটাতে একটা আলাদা ফিচার থাকে। সেটা হল এই মাইক্রোফোনের মধ্যে দুইটা পাত থাকে, যেখানে এই শব্দ যেয়ে যেকোনো একটি পাতে আঘাত করে।
ফলে সেটা ইলেকট্রিক সিগন্যালে পরিনত হয়। তবে এইটা ক্যাপাসিটর প্রযুক্তিতে কাজ করে থাকে। এই দুইটা মাইক্রোফোনের মধ্যে কনডেনসার মাইক্রোফোনের শব্দটা একটু ভালো ক্লিয়ার থাকে। যেটা ডায়নামিক মাইক্রোফোনে হয় না। কিন্তু ডায়নামিক মাইক্রোফোনে শব্দ বেশি ভলিউমে কাজ করে। যদি পাওয়ারের কথা বলি, তাহলে কনডেনসার মাইক্রোফোনের পাওয়ার দরকার হয় যা ডায়নামিকে প্রয়োজন হয় না। ডায়নামিক মাইক্রোফোন বিভিন্ন বড় বড় পারফরমেন্সে যেমন স্টেজ অনুষ্ঠান, লাইভ কনসার্ট ইত্যাদির মতো জায়গাতে ব্যবহার করা হয়। আর কনডেনসার মাইক্রোফোন তার থেকে ছোট ছোট প্রোগ্রামে ব্যবহার করা হয়। আমি একটা জিনিস নিজে খেয়াল করেছি সেটা হল ডায়নামিক মাইক্রোফোন বেশি দিন টেকসই হয়, যা কনডেনসার মাইক্রোফোন সেটার থেকে কম। এইভাবে এই দুই মাইক্রোফোন কাজ করে, দুইটা মাইক্রোফোনের একই কাজ কিন্তু ধরণ ভিন্ন।
মাইক্রোফোনের ভিতরের অংশ এবং তাদের কাজ
মাইক্রোফোন কিভাবে সহজ কাজ করে তা জানার আগে জানতে হবে মাইক্রোফোনের বিভিন্ন অংশের নাম। একটা মাইক্রোফোন বিভিন্ন উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এবং এর ভিতরের পার্টস গুলো অনেক ছোট ও সূক্ষ্ম হয়। এইগুলো উপাদানের মধ্যে আছে একটা ডায়াফ্রাম, মুভিং কয়েল, ম্যাগনেট, ক্যাপসুল, কভার ও হাউজিং। এইগুলো ধাপে ধাপে কাজে করে একটা শব্দকে শুরুতে একটা বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রুপান্তর এবং সেটা থেকে এমপ্লিফায়ারে যেয়ে একটা স্বচ্ছ শব্দে আবার রূপ পরিবর্তন হয়। এইটা আমি বললাম অনেক সংক্ষিপ্ত ভাবে। এখন সেটা বিস্তারিত ভাবে ব্যাখ্যা করবো। যখন কেউ কোন কথা বলে বা গান করে, তখন এই শব্দ তরঙ্গ একটা কম্পন তৈরি করে। যেটা পরে যেয়ে ডায়াফ্রামে আঘাত করে।
ফলে একটা নড়াচড়া হয়, এখন স্বাভাবিক বিষয় যে ডায়াফ্রাম নড়লে সেটার সাথে কয়েলও নড়বে। এই কম্পন যখন তৈরি হয়, তখন কয়েলের চারপাশে একটা চৌম্বক ক্ষেত্র থাকে। এই চৌম্বক ক্ষেত্রের মাধ্যমে এই শব্দ একটা বৈদ্যুতিক সিগন্যালে পরিনত হয়। এরপর এই সিগন্যাল সরাসরি যায় এমপ্লিফায়ারে। সেখানে যেয়ে এই সিগন্যাল স্পিকারের মাধ্যমে আবার শব্দে পরিনত হয়। এখন মূল বিষয় হল শুরুতে যে শব্দ থাকে সেটা অস্বচ্ছ ও ক্লিয়ার হয় না। পরে যে শব্দ তৈরি হয়ে আসে সেটা পরিস্কার হয় এবং শোনার যোগ্য ও হয়। এইভাবে একটা মাইক্রোফোন কাজ করে থাকে। যদিও দেখে মনে হয় না যে এতো পরিমান কাজ ও রুপান্তর ঘটে। কিন্তু বাস্তবে এইভাবে প্রক্রিয়াটা ঘটে।
মাইক্রোফোন শব্দ রেকর্ড করার প্রক্রিয়া
শব্দ একটা তরঙ্গ, এইটা আমরা দেখতে পারি না। কিন্তু এই তরঙ্গ বাতাসের কারণে মাইক্রোফোনের কাছে পৌছায়। যখন কোন কথা কিংবা গান চলে তখন এই শব্দ তরঙ্গ মাইক্রোফোনের একটা অংশ ডায়াফ্রামে ঝিল্লিতে আঘাত করে। ঝিল্লি নামে অংশটা হল অনেক পাতলা, যার কারণে হালকা ধাক্কাতে সেটা কেপে উঠে। এই কম্পন পরে যেয়ে কয়েলে কাছে পৌছায়, যেহেতু কয়েলের চারপাশে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করা। সে কারণে এই কম্পন পরবর্তীতে যেয়ে বৈদ্যূতিক সিগন্যালে পরিণত হয়। তারপর এই বৈদ্যুতিক সিগন্যাল এমপ্লিফায়ার এর মাধ্যমে আবার শব্দতে পরিণত হয়। শেষে যে এই শব্দ পরিষ্কার, স্বচ্ছ এবং শোনার যোগ্য হয়ে উঠে।
প্রথমে যে শব্দ ডায়াফ্রামে ধাক্কা দিয়ে কয়েল ও চুম্বক ক্ষেত্রে মাধ্যমে সিগন্যালে পরিণত হয়, সেটা সাধারণত দুর্বল এবং অসচ্ছ হয়। এমপ্লিফায়ার যে কাজটা করে সেটা হলো দুর্বল সিগন্যালটাকে এমপ্লিটিউড বাড়াই, দিয়ে শক্তিশালী অডিওতে পরিবর্তন করে। যেটা স্পিকারের দ্বারা শব্দটাকে আরো বেশি স্বচ্ছ ও শোনার যোগ্য করে তুলে। এইভাবে আমরা একটা দুর্বল শব্দকে মাইক্রোফোনের মাধ্যমে সুস্পষ্ট শব্দতে পরিবর্তন করতে পারি। এই কৌশলের মাধ্যমে একটা শব্দ মাইক্রোফোনের স্পিকার এর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে একটা ক্লিয়ার অডিওতে পরিণত হয়। যা আমরা শুনতে পারি।
অডিও ইন্টারফেস ও মিক্সারের সাথে মাইক্রোফোনের সংযোগ
এখন আমরা জানবো যে মাইক্রোফোনের সাথে অডিও ইন্টারফেস এবং মিক্সারের যেভাবে সংযোগ হয়। মাইক্রোফোনের একটা সিগনাল থাকে, আবার কম্পিউটারের একটা ডিজিটাল সিগন্যাল থাকে। মাইক্রোফোনের সিগন্যালটাকে বলা হয় এনালগ সিগনাল, এই সিগনাল সাধারণত কম্পিউটার রিড করতে পারে না। সেজন্য এই এনালগ সিগন্যালটাকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করলে সেটা কম্পিউটারে বোঝা যায় তাই এটার নাম দেওয়া হয়েছে অডিও ইন্টারফেস। অডিও ইন্টারফেস মূলত এক ধরনের সাঁকো অথবা ব্রিজ। যেটা মাইক্রোফোন বা বাদ্যযন্ত্রের তরঙ্গের মাধ্যমে তৈরি সিগন্যালটাকে কম্পিউটারের আয়ত্তে আনার জন্য যে ডিজিটাল সিগন্যালের রূপান্তর করা হয়, সেটাই মূলত অডিও ইন্টারফেস। মিক্সার হলো এমন একটি যন্ত্র, যে যন্ত্রে বিভিন্ন রকমের বাদ্যযন্ত্রের শব্দকে একসাথে নিয়ন্ত্রণে আনে। যেমন গিটার, ড্রাম, পিয়ানো এবং আরো বিভিন্ন রকমের বাদ্যযন্ত্রের শব্দকে একত্রে নিয়ন্ত্রণ করে।
প্রতিটা বাধ্য যন্ত্রের শব্দ আলাদা আলাদা। মাইক্রোফোন ব্যবহার এবং অডিও ইন্টারফেস এর দিক বিবেচনা করে মাইক্রোফোনের ক্যাবল নির্বাচন করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এক্ষেত্রে কিছু ভালো প্রকৃতির কেবল পাওয়া যায়, তবে সেটা মাইক্রোফোনের ধারণ অনুযায়ী ব্যবহার করা হয়। মার্কেটে সব থেকে ভালো কেবল হল XLR কেবল কিংবা TRS ক্যাবল। আমি দেখেছি বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন রকমের বড় আয়োজনের জন্য এই কেবল গুলো ব্যবহার করা হয়। মাইক্রোফোনের সাথে অডিও ইন্টারফেস এবং মিক্সার এর সংযোগ করতে হলে এই কেবল দিয়ে সংযোগ করতে হবে। এই কেবলের এক ইনপুট মাইক্রোফোনের সাথে সংযুক্ত থাকবে এবং আরেকটা কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করা থাকবে। ফলে এই সিগন্যালগুলো মাইক্রোফোন থেকে কম্পিউটারে পৌঁছাবে।
সাধারণ মাইক্রোফোনের সমস্যা সমাধান
মাইক্রোফোন কিভাবে সহজ কাজ করে জানতে চান তবে শুনুন ,আমরা সাধারণত যখন কোন কিছু রেকর্ড করি মাইক্রোফোনের মাধ্যমে, তখন অনেক শব্দ শোনা যায়। সাধারণত শব্দ তরঙ্গ মাইক্রোফোনের মাধ্যমে কম্পিউটারের যেয়ে সেটাকে স্বচ্ছ করে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাইক্রোফোনের কিছু ইন্টার্নাল সমস্যা থাকে। সে সমস্যাগুলো নিয়ে আমি কথা বলব এবং সেগুলো সমাধান দিব।
সমস্যা
- কিছু কিছু সময় কেবল এবং পোর্টের সংযোগ ঠিকমতো না থাকা।
- মাইক্রোফোনের দূরত্ব স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকা।
- কেবল খারাপ, ভেজা কানেকশন হয়ে থাকা।
- এক দিকের শব্দ বন্ধ হয়ে যাওয়া।
- কম্পিউটারের ড্রাইভার এর সমস্যা এবং আপডেট না থাকা।
সমাধান
- কেবল ভালো মতো চেক করা এবং তার সাথে সংযোগ ঠিকমতো আছে কিনা সেটা দেখে নেওয়া।
- মাইক্রোফোনকে শব্দের কাছাকাছি রাখা। অর্থাৎ শব্দের নির্দিষ্ট দূরত্বে মাইক্রোফোনকে সেট করা।
- কানেকশনের সমস্যা থাকলে কেবল ঠিক মত চেক করে নেওয়া প্রয়োজন হলে কেবল বদলে নেওয়া।
- একদিকে শব্দ বন্ধ থাকলে মাইক্রোফোনের মোনো ও স্টেরিও সেটিংস ভালোমতো দেখে নেওয়া।
- কম্পিউটারের ড্রাইভার এর সফটওয়্যার আপডেট করা এবং মাইক্রোফোন ইনপুট রিফ্রেশ করা।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাধারণত এই সমস্যাগুলো হয়ে থাকে। সঠিক নিয়ম এবং ধরন সম্পর্কে ধারণা থাকলে, এই সমস্যাগুলোর সমাধান করা সহজ।
ভবিষ্যতে মাইক্রোফোন প্রযুক্তি ও উন্নয়ন
মাইক্রোফোন বিজ্ঞান প্রযুক্তির একটি বিশেষ আবিষ্কার। দিনের পর দিন এই মাইক্রোফোনের পার্টসগুলো উন্নত হতে থাকছে। এখন শব্দ আরো বেশি স্বচ্ছ এবং পরিষ্কার শোনা যায়। এখন সেটা বিভিন্ন দিক দিয়ে মানব জাতির উন্নতির জন্য অত্যাধুনিক মাইক্রোফোন তৈরি হবে। একটা শব্দ স্বচ্ছ হয়ে আসতে মাইক্রোফোনের বিভিন্ন পার্টস বিভিন্ন ভাবে কাজ করে। এই পার্টসগুলো আরো উন্নয়ন করা হবে। যেমন কিছু কিছু ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহযোগিতায় শব্দকে আরো ক্লিয়ার করা সম্ভব হবে। আবার অনেক ক্ষেত্রে এই শব্দ আশপাশের অহেতুক শব্দের সংযুক্ত থাকে। এই শব্দগুলোকে নয়েজ ক্যানসেলেশনের মাধ্যমে শুধু নির্দিষ্ট শব্দটাকেই নিখুঁতভাবে তৈরি করা হবে।শুধুমাত্র শব্দটাকে উৎস করে মাইক্রোফোন কাজ করবে এমনটা নয়। এমনও কিছু উন্নয়ন হবে যেগুলো মাইক্রোফোনের আকার এবং প্রকৃতি পরিবর্তন করা হবে।
কিছু বছর আগে যেগুলো মাইক্রোফোন বড় ছিল, সেগুলোকে আরো ছোট করা হবে। অর্থাৎ সেগুলোর মধ্যে অত্যাধুনিক টেকনোলজি ব্যবহার করা হবে এবং সেগুলো অনেক ক্ষুদ্র আকৃতির হবে। কিছু কিছু মাইক্রোফোনের আমরা দেখেছি সাউন্ডটাকে থামাতে এবং আবার চালু করতে বাটনের প্রয়োজন হয়েছে কিন্তু যুগে বিভিন্ন বিপ্লবের কারণে এই মাইক্রোফোনে আরো নতুন নতুন ফিচার যোগ করা হবে। আমি বলতে চাচ্ছি বায়োমেট্রিক ভয়েস রিকগনিশন বিষয়ে। এই বায়োমেট্রিক ভয়েস রিকগনেশন এর কাজ হল, ভয়েসের মাধ্যমে বিভিন্ন কাজ করা যাবে মাইক্রোফোনে। এসব ধরনের উন্নয়ন করা হবে মাইক্রোফোনের মধ্যে বিভিন্ন টেকনোলজির মাধ্যমে। যেটা শব্দকে অথবা মানুষের কণ্ঠস্বরকে আরো বেশি স্বচ্ছ করবে এবং বোধগম্য করবে।
শেষ মন্তব্য
মাইক্রোফোন কিভাবে সহজ কাজ করে এই বিষয়ে ইতিমধ্যে আমরা জানলাম। মাইক্রোফোনের মধ্যে ভবিষ্যত যে সকল অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে, যেটা মানুষ সভ্যতার একটা পরিবর্তন আনবে। এখানে আমরা জেনেছ মাইক্রোফোন যেভাবে কাজ করে, এই মাইক্রোফোনের ভেতরের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং তাদের পরিচিতি। যন্ত্রাংশ গুলো একে অপরের সাথে যেভাবে কাজ করে সেগুলো নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। মাইক্রোফোন দিয়ে আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকি। ভবিষ্যতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আমাদের এই কাজগুলো আরো সহজ করে দেওয়া হবে।



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url